শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ১১:২৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ডেমরায় লাগেজের ভেতর থেকে মাইক্রোবাস চালকের লাশ উদ্ধার হাইমচর থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোতালেব জমাদ্দার আর নেই ঢাকা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান কিশোরগঞ্জের কৃতি সন্তান নেহাল আহমেদ নীলফামারীতে প্রতিবেশী দুলাভাইয়ের হাতে ৫ম শ্রেণী ছাত্রীর যৌন হয়রানী হাতিয়ায় ১২৬পিচ ইয়াবাসহ ১ ব্যবসায়ী আটক। আশাশুনিতে ভ্রাম্যমান আদালতে ২টি অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ সোনারগাঁও এলাকায় তিতাসের ৩ কি.মি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন মানব জীবন বাঁচাতে উৎসর্গ ফাউন্ডেশনের রক্তদান প্রশংসনীয় ___নূর হোসেন পাটওয়ারী সন্ত্রাসী কাদির বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ সোনারগাঁও তিতাস গ্যাস জোনাল অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ দেশব্যাপী বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সন্তানদেরকে হত্যা মামলা হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে বাউবি ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন

লকডাউন কালীন দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে এগিয়ে আসা মানবতার ফেরিওয়ালা

করোনাকালীন এগিয়ে আসা মানবিক মানুষগুলো
পর্ব:০৩
===========••••==============

সরকারের কঠোর নির্দেশে পুরোদমে দেশে লকডাউন চলছে,ঘরে বসে বসে টিভি দেখা বা মোবাইলে চোখ রাখা ছাড়া তেমন কোন কাজ কর্ম নেই।
ঘরে আগে থেকে সংগৃহীত খাবার দাবার এবং প্রয়োজনীয় সব জিনিসও শেষ পর্যায়ে এই মূহুর্তে খাবার ও প্রয়োজনীয় জিনিস না আনতে পারলে খাদ্য সংকটে পড়ার সম্ভাবনা থাকবে।
এমন পরিস্থিতিতে হুট করে মনে হলো অনলাইনে প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো অর্ডার করলে কেমন হয়?
অনেকগুলো অনলাইন শপ দেখে মাথা ঘুরে গেল জিনিসের দাম এবং ৫০-১০০ টাকা ডেলিভারী চার্জ দেখে।
এবার ট্রাই করলাম আগে থেকে কেনাকাটা করা বিশ্বস্ত অনলাইন শপ ইভ্যালীর চট্টগ্রামের এক্সপ্রেস শপগুলোতে,গ্রোসারী আইটেমের জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এক্সপ্রেস শপ ১ এবং ২ তে অনেকগুলো অর্ডার করলাম এবং কখনো ১ বা ২ দিনের মধ্যেই ডেলিভারী পেয়ে গেলাম।
আবার ইভ্যালীর হালিশহর ফিশ এন্ড মিট শপ এবং বহদ্দারহাট ফিশ এন্ড মিট শপ থেকে মাছ,মাংস ও ডিম অর্ডার করে দ্রুত পেয়ে গেলাম।
করোনায় জিংক,সিভিট ও ভিটামিন ট্যাবলেট দরকার তাই কাছাকাছি কোন ইভ্যালী ফার্মেসী না থাকায় ইভ্যালী ব্রাক্ষণবাড়িয়া এক্সপ্রেস ফার্মেসীতে এবং পরে ঢাকার উত্তরা ৩ নং ও সব সেক্টর ফার্মেসী শপ থেকে অনেকগুলো মেডিসিন অর্ডার করলে সেলার সেগুলো আমার ঠিকানায় পাঠিয়ে দেন।
সবই যখন ইভ্যালী থেকে পেলাম তাহলে মধুমাসে ফল কেন বাদ যাবে? আমের ভরা মৌসুম দেখে ইভ্যালীর রাজশাহীর ফ্রেশভ্যালী শপে অর্ডার করলে সেলার পুরো ২৫ কেজি আমের ক্যারেট পাঠিয়ে দেন আমার ঠিকানায় কোন ডেলিভারী চার্জ ছাড়াই,পরে অবশ্য ইভ্যালীর চট্টগ্রামের জামাল খান ও বায়েজিদ ফ্রেশভ্যালী থেকেও আম কেনা হয়েছে।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে,আমার যেহেতু ইভ্যালীর এক্সপ্রেস গিফট কার্ড কেনা ছিল তাই সব ধরনের পণ্য ক্রয় করতে আমার পড়েছে ৫০% কম।
এই করোনার সময়ে ইউনিলিভারের ৫০ টাকার সাবান ২৫ টাকায় পাচ্ছি তাও আবার বাসার দরজা খুলে হাত পেতে নিচ্ছি- এ যেন নো টেনশন লাইফ!
বাসায় বসে বসে ৫০% ছাড়ে করোনার জন্য প্রয়োজন এমন অনেক জিনিসই আমি কিনেছি এই অনলাইন শপ ইভ্যালী থেকে,তন্মধ্যে অন্যতম হলো নেবুলাইজার মেশিন,ওজন মাপার যন্ত্র,ফিঙ্গার পালস অক্সিমিটার,সার্জিক্যাল মাস্ক,হ্যান্ড গ্লোভস,হেয়ার নেট ক্যাপসহ আরো অনেক কিছুই।
করোনার শেষ দিকে যখন চট্টগ্রামে খাবারের দোকান চালু হয় তখন ইভ্যালী এক্সপ্রেস ফুড হোয়াইট রেভিট থেকে হোম ডেলিভারীতে বাচ্চাদের পছন্দের পিজ্জা ও বিরিয়ানি অর্ডার করি।
আমি অনেক আগে থেকেই শারিরীক সমস্যার কারণে ২ কেজির উপরে বাজারের ব্যাগ বহন করতে পারতাম না এখন এই ইভ্যালীর কল্যাণে আমাকে আর বাজার সদাই করে তা নিয়ে বাসায় আসতে হয়না,কি লাগবে জেনে নিয়ে মোবাইলে ইভ্যালী এ্যাপসে ঢুকি আর ঝটপট অর্ডার করে চিন্তামুক্ত থাকি।
তবে এ বিষয়ে নাখোশ হলো আমার পাশের স্থানীয় ব্যবসায়ীরা,কারণ প্রতিমাসে ভাল এমাউন্টের টাকায় বাজার করতে হতো তাদের থেকে,তারা এখন পুরো বঞ্চিত,তাদের বললাম চাইলে তুমি তোমার দোকান ইভ্যালীর সিস্টেমস এ আপডেট কর তাহলে তোমার থেকে সব কেনাকাটা করব আর তুমিও অনেক কাস্টমার পাবে,তাড়াতাড়ি লাভবান হবে।
সে যাই হোক অনলাইনের জয়জয়কারের এ দুনিয়ায় ক্রেতাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের মূল নায়ক Mohammad Rassel ভাইয়ের www.evaly.com.bd এর বদৌলতে করোনাকালে আমি ছিলাম নিশ্চিন্ত!
এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরী করে অস্থির করোনাকালে অর্ধেক দামে দ্রুত সেবা প্রদান করায় স্যালুট ভাই আপনাকে!
আপনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ূ কামনা করি!

পুনশ্চ: দেশের বিতর্কিত দৈনিক প্রথম আলোর হলুদ সাংবাদিকতার কারণে বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইভ্যালীর ব্যাংক হিসাব আপাতত স্থগিত করা হয়েছে,মনে হয় পৃথীবীর কোথাও এমন নজির নেই যে,কোন তথ্য প্রমাণ ছাড়াই মিডিয়ার ভুল তথ্যে কোন দেশের এক নম্বর ই -কমার্সের একটা কোম্পানীর ব্যাংক হিসাব বন্ধ করে দিয়ে লক্ষ ক্রেতা ও বিক্রেতাকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলা হয়েছে।
যাই হোক সরকারী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ইভ্যালী তার সব বাঁধা কাটিয়ে আবার আপন গতিতে আমাদের মতো মানুষদের সেবা দিতে প্রস্তুত হোক এ কামনা করি।

তবে বর্তমানে ফেসবুকে অনেক বুজুর্গ শ্রেণীর আবির্ভাব হয়েছে যারা জীবনে কোনদিন ইভ্যালী থেকে কিছু কিনেনি কিন্তু ইভ্যালী টাকা নিয়ে প্রোডাক্ট দেয়না,এমএলএম কোম্পানী বলে ফেসবুক চষে বেড়াচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যে বলছি আপনি নিজে না কিনে ৫% সমস্যায় থাকা অন্যের কথায় এত লক্ষ মানুষের ভালবাসার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নেগেটিভ না বলে জেনে শুনে দেখেন ইভ্যালী থেকে কিনে ৯৫% ই খুশী।
আবার বেশীরভাগের এমএলএম সম্বন্ধেও জ্ঞান নেই তবুও দেদারসে জ্ঞান দিচ্ছে,এমএলএম মানে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং মাল্টি লেবেল মানে অনেকগুলো স্তর পার করে পণ্য বা সেবা বিক্রয় হয় আর ইভ্যালী সবগুলো স্তর কমিয়ে সরাসরি উৎপাদক থেকে লটে কমদামে কিনে ক্যাশব্যাক বা ছাড়ে ক্রেতার কাছে বিক্রি করে,এখানে দুইটি পক্ষ বিদ্যমান ইভ্যালী সেলার এবং ক্রেতা আর ইভ্যালী হলো প্ল্যাটফর্ম।
কোন কিছু না জেনে অনুমান বা অন্যজনের থেকে জেনে তা বলা বা শেয়ার করা কতটুকু অযৌক্তিক তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Dailyprotidinerkhobor
Design & Developed BY Freelancer Zone