শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
সাবেক সংসদ আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান মোল্লা‘র প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিল ডেমরায় রোজাদারদের মাঝে ছাত্রলীগের ইফতার বিতরণ কর্মহীন ও দুস্থদের মাঝে ইফতার বিতরণ করলেন কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা পাভেল নবীন সমাজ কল্যাণ পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে হাইমচরে দেড় শতাধিক পরিবারে ইফতার সামগ্রী ও ঈদ উপহার বিতরণ ইচ্ছে হাসি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যােগে অসহায় ও কর্মহীনদের মাঝে ইফতার বিতরণ ডেমরায় নেহরীন মোস্তফা দিশির নির্দেশে অসহায় ও কর্মহীনদের মাঝে সিরাজুল আলমের ইফতার বিতরণ বৈশ্বিক মহামারীতে হিজড়া জনগোষ্ঠী যাতে অভাবের তাড়নায় কোন প্রকার অপরাধ কর্মের সাথে যুক্ত না হয়ে পড়ে : ডিআইজি হাবিবুর রহমান সেহরির সময় হলেই খাবারের ব্যাগ হাতে যুব অধিকার পরিষদ। সোনারগাঁয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী গোলজার পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যােগে শ্রমজীবীদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

করোনা পরীক্ষা : কারও রিপোর্ট একদিনেই, কারও ১৪ দিনে

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষকে করোনার রিপোর্ট পেতে গড়ে ১০ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অথচ রাজনীতিবিদ ও পেশাজীবীরা পদ-পদবি ব্যবহার করে তাদের অনেকেই দিনের মধ্যেই ফল পেয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দিনে দিনে পরীক্ষার ফল পেতে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন হুমকি-ধমকিও দেয়া হচ্ছে।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, মানুষ দিনভর লাইনে দাঁড়িয়েও নমুনা দিতে ব্যর্থ হচ্ছেন। ল্যাবগুলো স্বল্পতার কারণে একটি কিট ব্যবহার করে দুটি নমুনা পরীক্ষা করছে। অথচ পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নামে প্রতিষ্ঠিত বুথে গণহারে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাব ইনচার্জ অধ্যাপক ডা. শাকিল আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘চট্টগ্রামে করোনা পরীক্ষার ল্যাবের সক্ষমতার তুলনায় নমুনা সংগ্রহ বেশি হয়। সংগ্রহ করা সব নমুনা একদিনে পরীক্ষা করা সম্ভব না হওয়ায় প্রতিদিন কিছু নমুনা জমা থাকছে। তার ওপর আবার বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-সরকারি কর্তারা দিনে দিনেই নিজেদের ও স্বজন বা পরিচিতজনদের নমুনা পরীক্ষার ফল পেতে চাপ দেন। এর ব্যতিক্রম ঘটলেই আসে হুমকি-ধামকি। এ কারণে দিনরাত পরিশ্রম করেও সাধারণ মানুষকে সময়মতো তাদের নমুনার ফলাফল জানানো সম্ভব হয় না।’

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) উপসর্গ নিয়ে দীর্ঘ একমাসের বেশি সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন চট্টগ্রামের বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. শহীদুল আনোয়ার। কিন্তু এই একমাসে অনেক চেষ্টা করেও তার করোনা পরীক্ষা করানো সম্ভব হয়নি। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও বিআইটিআইডি ল্যাবে দুইবার সিরিয়াল দেয়া হলেও আইসিইউতে থাকা এই প্রবীণ চিকিৎসকের নমুনা সংগ্রহে একমাসেও কাউকে রাজি করানো যায়নি। ওই অবস্থাতেই ২৪ জুন দিবাগত রাতে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Dailyprotidinerkhobor
Design & Developed BY Freelancer Zone