শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৪:৩১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
সাবেক সংসদ আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান মোল্লা‘র প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিল ডেমরায় রোজাদারদের মাঝে ছাত্রলীগের ইফতার বিতরণ কর্মহীন ও দুস্থদের মাঝে ইফতার বিতরণ করলেন কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা পাভেল নবীন সমাজ কল্যাণ পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে হাইমচরে দেড় শতাধিক পরিবারে ইফতার সামগ্রী ও ঈদ উপহার বিতরণ ইচ্ছে হাসি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যােগে অসহায় ও কর্মহীনদের মাঝে ইফতার বিতরণ ডেমরায় নেহরীন মোস্তফা দিশির নির্দেশে অসহায় ও কর্মহীনদের মাঝে সিরাজুল আলমের ইফতার বিতরণ বৈশ্বিক মহামারীতে হিজড়া জনগোষ্ঠী যাতে অভাবের তাড়নায় কোন প্রকার অপরাধ কর্মের সাথে যুক্ত না হয়ে পড়ে : ডিআইজি হাবিবুর রহমান সেহরির সময় হলেই খাবারের ব্যাগ হাতে যুব অধিকার পরিষদ। সোনারগাঁয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী গোলজার পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যােগে শ্রমজীবীদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

ইভ্যালি অফিসে অ্যামাজন প্রতিনিধি, বিনিয়োগে আগ্রহ

 

নিউজ ডেস্কঃ
 ইভ্যালি কার্যালয় ঘুরে গেছেন অ্যামাজন প্রতিনিধি।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দীর্ঘ সময় ধানমণ্ডিস্থ ইভ্যালির কার্যালয় পরিদর্শন এবং বৈঠক করেছেন অ্যামাজনের ওই প্রতিনিধি।

ইভ্যালির এমডি ও সিইও মোহাম্মদ রাসেল এর সঙ্গে ওই বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের অ্যামাজন সদর দপ্তরের কর্মকর্তা রুদমিলা আর.। রুদমিলা অ্যামাজনের কর্পোরেট বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার।

তবে এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি মোহাম্মদ রাসেল। ‘আপাতত এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না’ যোগাযোগ করা হলে এমনটাই তিনি টেকশহরডটকমকে বলছিলেন।

টেকশহরের কাছে নিশ্চিত তথ্য রয়েছে যে, অ্যামাজন কর্মকর্তা ইভ্যালি পরিদর্শনে এসে কার্যালয়ে সবগুলো ইউনিট ঘুরে দেখেছেন।

ইভ্যালির গ্রাহক, পলিসি, মার্কেট শেয়ার, বিনিয়োগসহ ব্যবসায়িক ডকুমেন্টস চেয়েছে অ্যামাজন।

অ্যামাজন এখন বাংলাদেশের মার্কেট স্টাডি করে দেখছে, বিনিয়োগের সম্ভাব্যতা যাচাই-বাছাই করছে।

তবে শেষ পর্যন্ত অ্যামাজন ইভ্যালিতে বিনিয়োগ করবে কিনা বা বিনিয়োগ করলে সেটা কোন ফরম্যাটে হবে এসব বিষয়ে অগ্রগতি বেশ সময় সাপেক্ষই বলে বলছেন দেশের ই-কমার্স খাতের শীর্ষস্থানীয় এক উদ্যোক্তা এবং খাত বিশেষজ্ঞ-যিনি অ্যামাজনের সঙ্গে গত কয়েক বছরে বেশ কয়েক দফায় কিছু বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন।

‘দেশে নানাভাবে অ্যামাজনের পদচারণা রয়েছে। এখন পর্যন্ত ইউরোপ আমেরিকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে, নিজেদের ওয়্যারহাউজগুলোতে বাংলাদেশের পণ্য নিতে আগ্রহী এবং বিশেষ সুবিধা চায় অ্যামাজন। তবে সরাসরি বিনিয়োগ বা অ্যাকুজিশন প্রক্রিয়াটিতে বেশ দাপ্তরিক বিষয় রয়েছে এবং এটি বেশ সময় সাপেক্ষও। সময়ই বলে দেবে অ্যামাজন আসলে কী করতে চাইছে’ বলছিলেন তিনি।

বাংলাদেশে অ্যামাজনের কান্ট্রি অফিস হিসেবে আসা নিয়ে আলোচনা-গুঞ্জন বেশ কয়েক বছর ধরেই। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে দেশিয় ই-কমার্স খাতের ভবিষ্যত রোডম্যাপ নিয়ে এক গোলটেবিল বৈঠকে নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখা খাত সংশ্লিষ্টদের আলোচনায় অ্যামাজন শতভাগ সরাসরি বিনিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশে আসছে এমন তথ্য আসে।

ওই বছরের শুরুতেই অ্যামাজনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বাংলাদেশ ঘুরে যান। তখন ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে কাজ করে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করতে চান- এমন মতামতের কথা বলা হয় তখন।

ওই সময়ে বাংলাদেশে সফরকালে অ্যামাজন কর্তৃপক্ষ অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই), ব্যাংকিং খাত, বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট সরকারের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে বৈঠক-আলোচনা করে গেছেন বলে বলা হয়। তখন এটুআইয়ের সঙ্গে বৈঠকে অ্যামাজন সরকারের একশপ ই-কমার্স মার্কেটপ্লেসের অবকাঠামোগত সুবিধা চেয়েছিল আলোচনায় উল্লেখিত হয়।

কিন্তু ২০১৯ সালের ১৭ জুলাই  তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে এক বৈঠকে ইউরোপ আমেরিকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে, নিজেদের ওয়্যারহাউজগুলোতে বাংলাদেশের পণ্য নিতে বিশেষ সুবিধা চায় অ্যামাজন।

যাতে স্থানীয় বিক্রেতা ও উদ্যোক্তারা সহজে অ্যামাজনের বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পণ্য বিক্রি করতে পারে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে ওই বৈঠকে অংশ নেন আমাজনের এক প্রতিনিধি দল। বৈঠকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের পক্ষে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং অ্যামাজনের পক্ষে ছিলেন কোম্পানিটির ইন্টারন্যাশনাল এক্সপানশন বিভাগের ক্যাটাগরি ম্যানেজার গগন দিপ সাগর।

ওই বছরের আগস্টে ওয়ালটনের সঙ্গে চুক্তি করে অ্যামাজন। এতে প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়ালটনের ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং হোম অ্যাপ্লায়েন্স বিক্রি হবে।

এছাড়া বাংলাদেশে আগে হতেই অ‍্যামাজনের অনেক বিক্রেতা রয়েছেন। যদিও এই সংখ্যা কতো তা জানা যায়নি। তবে এসব বিক্রেতার বেশিরভাগ বাংলাদেশ হতে অ‍্যামাজনে পণ‍্য না পাঠিয়ে চায়না বা অন‍্য কোনো দেশ হতে পণ্য কিনে সরাসরি ওখান হতেই অ্যামাজনের কাছে পাঠিয়ে দেন।

কোনো কোনো বিক্রেতা যারা বাংলাদেশ হতে পণ্য পাঠান তারা সংখ্যায় খুব কম। কারণ এখানে এলসি খোলা, বন্ডেড ওয়্যারহাউজ, এনবিআর, কাস্টমসসহ ব্যাপক প্রক্রিয়ার মধ্যে যেতে হয় ওই বিক্রেতাকে।

আবার এই বিক্রেতাদের বিক্রয়সংক্রান্ত সেবাও দিয়ে থাকেন কেউ কেউ। এছাড়া  অ‍্যামাজন বাংলাদেশের সেলারদের নিয়ে দেশে অনুষ্ঠানও করেছে

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Dailyprotidinerkhobor
Design & Developed BY Freelancer Zone